কুমিল্লা
, খ্রিস্টাব্দ
|
শিরোনাম:
মুক্তিযুদ্ধের পর এবার জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা করছে একটি দল: ধর্মমন্ত্রী কুমিল্লায় এইচএসসির ভরাডুবি ফালাফলে ছাত্রদলের ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ কুমেকে চিকিৎসা নিতে এসে পদে পদে হয়রানি, দালালের জালে রোগীরা প্রার্থী দিবেন, নলা নিয়ে বাড়িতে যাইতে পারবেন না: এমপি মোবাশ্বের কুমিল্লায় মাটি খুঁড়তে গিয়ে মিলল অবিস্ফোরিত মর্টার শেল কুমিল্লায় জামায়াতের আমির-নায়েবে আমিরের সদস্যপদ বাতিল ফেসবুকে অস্ত্র প্রদর্শন: কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের ৪ সদস্য আটক কুমিল্লা বোর্ডে ১৫ কলেজে পাস করেনি কেউ, শতভাগ পাস মাত্র ৪টিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে এইচএসসিতে পাশের হার ৪৮.০৪ শতাংশ

কুমিল্লায় জামায়াতের আমির-নায়েবে আমিরের সদস্যপদ বাতিল

কাজী দ্বীন মোহাম্মদ ও এমদাদুল হক মামুন / নতুন কুমিল্লা

কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সাবেক আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ ও সাবেক নায়েবে আমির একেএম এমদাদুল হক মামুনের সদস্যপদ (রুকনিয়াত) বাতিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। মহানগর জামায়াত কার্যালয়ে সভা চলাকালে সংঘটিত সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ ও ভাঙচুরের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ।

রোববার (১ নভেম্বর) বিকেলে জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কুমিল্লা মহানগরীর তত্ত্বাবধায়ক মাওলানা আবদুল হালিম নতুন কুমিল্লাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ১৪ অক্টোবর কুমিল্লা মহানগর জামায়াত কার্যালয়ে সভা চলাকালে সৃষ্ট ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরে ২৬ অক্টোবর আমিরে জামায়াত ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে আলোচনাক্রমে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ ও একেএম এমদাদুল হক মামুনের সদস্যপদ (রুকনিয়াত) বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এর আগে গত ১৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় কুমিল্লা মহানগর জামায়াত কার্যালয়ে কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ সময় মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমানের ব্যক্তিগত গাড়িও ভাঙচুর করা হয়।

ওই ঘটনার দুই দিনের মাথায় ১৬ অক্টোবর কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি ভেঙে দেয় কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ। পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে মহানগর সংগঠন পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ দায়িত্ব দেয়া হয় কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিমকে।

এ ছাড়া ১৪ অক্টোবরের ঘটনা তদন্তে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির সদস্য ছিলেন জামায়াতের নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান।

অন্যদিকে, ওই ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে ১৫ অক্টোবর এবি পার্টির কুমিল্লা মহানগর আহ্বায়ক গোলাম মোহাম্মদ সামদানীকে সাময়িক অব্যাহতি দেয় দলটি।

আরও পড়ুন